বড়দিনে জামবনির চিল্কিগড় কনক দূর্গা মন্দির প্রাঙ্গণে পর্যটকদের ভিড়
দি নিউজ লায়ন ; ২৫ শে ডিসেম্বর শুক্রবার বড়দিন উপলক্ষে অরণ্য সুন্দরী ঝাড়গ্রাম জেলায় পর্যটকদের ভীড় উপচে পড়ছে ।একটানা ছুটি থাকায় পর্যটকদের ভিড় বেড়েছে বলে অনুমান স্থানীয় বাসিন্দাদের। যার ফলে ঝাড়গ্রামের সরকারি-বেসরকারি হোটেল লজ গুলিতে তিল ধারণের জায়গা নেই। শুক্রবার সকাল থেকেই পর্যটকরা বড়দিন উপলক্ষে পিকনিক করতে ভিড় জমিয়েছেন ঝাড়গ্রাম জেলার জামবনি ব্লক এর চিলকিগড় কনক দূর্গা মন্দির প্রাঙ্গণেডুলুঙ নদীর ধারে।
এছাড়াও বেলপাহাড়ীর ঘাগরা জলপ্রপাত এলাকায় পর্যটকদের ভীড় উপচে পড়ছে। করোনা পরিস্থিতি কে দূরে সরিয়ে রেখে প্রশাসনের নির্দেশ মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বড়দিনের আনন্দ উপভোগ করছেন পর্যটকরা। পর্যটকদের ভীড় হওয়ায় খুশি চিল্কিগড় মন্দির কর্তৃপক্ষ ও ওই এলাকার ব্যবসায়ীরা। শুক্রবার সকাল থেকে বহু পর্যটক সামিল হয়েছেন পিকনিক করতে। তারা ঘুরে দেখছেন চিলকিগড় কনক দূর্গা মন্দির সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকা।
সেইসঙ্গে মন্দিরে গিয়ে কনক দুর্গা মাকে প্রণাম করে পূজা দিচ্ছেন পর্যটকরা ।আগামী কয়েকদিন পর্যটকদের ভিড় থাকবে বলে অনুমান মন্দির কর্তৃপক্ষের। চিল্কিগড় এর পাশাপাশি মানুষ ভিড় জমিয়েছেন ঝাড়গ্রাম শহর সংলগ্ন ডিয়ার পার্কে মিনি চিড়িয়াখানায়। সেখান সকাল থেকেই কচিকাচাদের নিয়ে তাদের পরিবারের লোকেরা সামিল হয়েছেন। যার ফলে খুশি চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।
অপরদিকে বেলপাহাড়ীতে প্রচুর মানুষের ভিড় জমেছে ঘাগরা জলপ্রপাত এলাকায়। বেল পার্কে যাওয়া পর্যটকরা ঘুরে দেখছেন ঝাড়খন্ড সীমান্তবর্তী এলাকার বিভিন্ন দৃশ্য। সেই সঙ্গে তারা পিকনিক করতেও সামিল হয়েছেন। কেউ কলকাতা থেকে এসেছেন, কেউ হাওড়া থেকে এসেছেন, কেউ হুগলি থেকে এসেছেন। এমনকি আরো দূর-দূরান্ত থেকে এসেছেন বহু মানুষ।
যার ফলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই এলাকায় জুড়ে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য সর্বক্ষণের জন্য ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। কারণ সীমান্তবর্তী এলাকায় মাওবাদীদের আনাগোনা রয়েছে। তাই প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থার কোন ত্রুটি রাখা হয়নি। এছাড়াও গোপীবল্লভপুরে বহু পর্যটক পিকনিক করার জন্য সামিল হয়েছেন। এক কথায় বলা যায় জঙ্গলমহল জুড়ে শুক্রবার উৎসবের মেজাজে পর্যটকরা বড় দিনের আনন্দ উপভোগ করছেন।

Post a Comment